Sunday, 6 August 2017

নতুন করে আবার কেন রহস্যময় গিজার পিরামিড ?







কলকাতাঃ-মিশরের ভ্যালি অফ কিংস এক রহস্যময় স্থান, না জানি কত রহস্য লুকিয়ে রয়েছে অঞ্চলে। অঞ্চলের সব কিছুতেই কেমন যেন রহস্যের গন্ধ লেগে থাকে। উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে নেপোলিয়নের দ্বারা আরব দের হাত থেকে মিশরের দখল নেওয়ার পর থেকেই মূলত আধুনিক যুগের সংস্পর্শে আসে মিশর। তারপর থেকেই শুরু হয়ে মিশর নিয়ে বিশেষ গবেষণার কাজ। আর এই গবেষণার জন্যই প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়ে ঘনীভূত হয়েছে রহস্য নয়েতো পর্দা উন্মোচিত হয়েছে রহস্যের থেকে।

  বর্তমানে এমনই এক গবেষণা নিয়ে রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে গবেষণা চলছে মিশরের গিজা পিরামিডকে নিয়ে এর ভিতরে নাকি লুকিয়ে রাখা আছে কয়েক কোটি টাকার  সোনা দানা সম্পত্তি আর এই সম্মপত্তির সন্ধানে উঠে পড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানীরা  ওনাদের ধারণা গিজা পিরামিডের মধ্যে নাকি আছে গোপন কক্ষ আর কক্ষের গোপনীয়তা নিয়েই যত রহস্য



  গিজা পিরামিড ৪০০০ হাজার বছরের পুরনো, ৪৭৯ ফুট উঁচু বিশ্বের প্রাচীন ধারার পিরামিড গুলোর মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠও বলা যেতে পারে এই পিরামিড সাত আশ্চর্যের মধ্যে এক আশ্চর্য এই পিরামিডের রহস্য এবার প্রকাশ্যে আনতেই এবার কোমর বেঁধে লেগে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা শুরু হয়েছে স্ক্যান পিরামিড নামে এক মিশন গিজা পিরামিড,যা বেশি পরিচিত খুফু পিরামিড নামে, তার রহস্য উন্মোচনের কাজ শুরু হয়েছে একটি গোপন কক্ষ রয়েছে বলে দাবি করে বিজ্ঞানী মেহদি তায়োবি বলছেন, এখন সেই গোপন কক্ষটি খোঁজার কাজ চলছে



  সেই খোঁজপ্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হচ্ছে থার্মোগ্রাফি তাপের সাহায্যে পিরামিডের ভেতরে কোথাও কি রয়েছে, তার হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা আরও একটি চেম্বার রয়েছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা তবে এখনও সে সম্পর্কে নিশ্চিত কোনও তথ্য মেলেনি ইজিপ্টের কনিষ্ঠতম ফ্যারাও তুতেনখামেনের মমি আবিষ্কারের পাশাপাশি, উদ্ধার হয়েছিল বিপুল সম্পত্তি সেভাবেই রানি নেফারতিতির সমাধিও আবিষ্কৃত হবে বলে আশা করছেন তাঁরা ফ্যারাও আকেনাতেনের স্ত্রী নেফারতিতি জীবিত থাকাকালীন খুব শৌখিন ছিলেন বলে ইতিহাস জানায় তাই তাঁর সমাধিস্থলেও থাকতে পারে গোপন কক্ষ, যেখানে হয়তো লুকিয়ে আছে মূল্যবান অনেক কিছু তারই সন্ধানে খোঁজ চলছে






তথ্যঃ প্রতিদিন 

ভেঙ্কাইয়া কি কি করেছে উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার..





কলকাতা ও দিল্লিঃ- শ্রী রাম এখন ভারতের প্রধান। দেশের রাজনীতির উপর থেকে নিচ পর্যন্ত প্রায়ে সব জায়েগাই জাতীয়তাবাদীদের দখলে। কয়েক শতাব্দী পর এই প্রথমবার ভারতবর্ষ যেন আক্ষরিক অর্থেই গৈরিকময়। এই ভারতকে গান্ধী পরিবারতন্ত্র মুক্ত করতে চাওয়া আন্দোলনকারিরাও অনেকটাই সফল। আর এই সফলতার মুকুটে নতুন পালক যুক্ত করলো দেশের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই নির্বাচনেও গান্ধী পরিবারের প্রার্থী শ্রী গোপাল কৃষ্ণ গান্ধীকে পরাজিত করে জয়ী হলেন ভারতকে গান্ধী পরিবারতন্ত্র মুক্ত করতে চাওয়া দলের এক নেতা ও বহু দিনের সাংসদ শ্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু।

  ভারতীয় রাজনীতিতে বহুল পরিচিত শ্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু ১৯৪৯ সালের ১ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর জেলার চাওয়াতপালেমে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভি.আর হাইস্কুল থেকে পড়াশুনা শেষ করে রাজনীতি এবং কূটনীতি নিয়ে গ্রাজুয়েট হন নেল্লোরের ভি.আর কলেজ থেকে। পরে  অন্ধ্র ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ ল  থেকে আইন(আন্তর্জাতিক আইনের স্পেসালাইজেশন) নিয়ে পড়াশুনা করে স্নাতকত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কলেজে পড়াশুনা করার সময় তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেভক সংঘের(RSS) ছাত্র শাখা এবিভিপি-র সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরবর্তী কালে সরাসরি RSS- সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭২ সালের জয় অন্ধ্র আন্দোলনকে নেল্লোর থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তারপর আর কোন দিনই পিছন ফিরে তাকাতে হয়েনি। ১৯৭৪ সালে শ্রী জয়প্রকাশ নারায়ণের ছাত্র সংঘর্ষ সমিতিতে অন্ধ্র প্রদেশের কনভেনর নিযুক্ত হন এবং এমারজেন্সির প্রতিবাদে আন্দোলন করার অপরাধে শ্রী ভেঙ্কাইয়া কে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল।

   ছাত্র নেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে, স্পষ্ট বক্তা নাইডু কৃষকদের উন্নয়নের এবং পিছিয়ে পরা মানুষদের উন্নয়নের জন্য সওয়াল করে খ্যাতি লাভ করেন। ওনার স্পষ্ট ভাষায়ে যুক্তি পূর্ণ বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তার ফলে রাজনৈতিক জীবনে উন্নতির জন্য বিশেষ বেগ পেতে হয়েনি। ১৯৭৮ থেকে ৮৩ সাল পর্যন্ত নেল্লোরের উদয়গিরি আসন থেকে দুবার অন্ধ্র প্রদেশের বিধায়ক নির্বাচিত হন।

   রাজ্য এবং জাতীয় পর্যায়ে বিজেপি বিভিন্ন সাংগঠনিক পদের দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৯৮ সালে তিনি কর্ণাটক থেকে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ ও ২০১০ সালে কর্ণাটকে আরও দুবার নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিজেপি-র মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে এনডিএ জয়লাভের পর, তিনি গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হন।  গ্রামাঞ্চলে দ্রুত উন্নয়নের জন্য তিনি জোর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর গ্রাম সড়ক যোজনা-র মত একাধিক নতুন উন্নয়ন মূলক প্রকল্প ওনারই মস্তিষ্ক প্রসূত

  ২০০ সালে বিজেপি দলের সর্বভারতীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন কিন্তু ২০০৪ সালে এনডিএ পরাজিত হওয়ার পর অক্টোবর মাসে পদত্যাগ করেন। যদিও বিজেপি দলের অন্যতম প্রধান মুখ হিসাবে তিনি রয়েই গিয়েছিলেন। অন্ধ্রপ্রদেশকে স্পেসাল স্ট্যাটাস দেওয়ার জন্য রাজ্যসভাতে একাধিক বার সরবও হয়েছিলেন নাইডু। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০১৪ সালে এনডিএ জোট ঐতিহাসিক জয়লাভ করলে ২৬ মে ২০১৪ তে নগর উন্নয়ন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শ্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু।
  সমাজ সেবাতেও এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের জুড়ি মেলা ভার। ওনার নিজে হাতে তৈরি স্বর্ণ ভারত ট্রাস্ট দরিদ্র, অনাথ শিশুদের বিনা খরচে শিক্ষাদান করে এবং বিশেষ করে নারী ও যুবকদের জন্য স্ব-নিযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রদান করে।

২৬মে ২০১৬ তে রাজস্থান থেকে রাজ্যসভার জন্য বিজেপি মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হন এবং এর এক বছর পর ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন। শ্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু ভারতের ১৩তম উপরাষ্ট্রপতি।

  একদম নিচু তলা থেকে রাজনীতি শুরু করে সারা জীবন একাধিক পদের দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। কি সেই পদ গুলো একবার দেখে নেওয়া যাক:-


  • ·  ১৯৭৩-৭৪ : রাষ্ট্রপতি, ছাত্র ইউনিয়ন, অন্ধ্রপ্রদেশ
  • ·  ১৯৭৪ : আহ্বায়ক, লোকনায়েক জয়প্রকাশ নারায়ণ ছাত্র যুব সংঘর্ষ সমিতি, অন্ধ্রপ্রদেশ
  • ·  ১৯৭৭-৮০: জনতা পার্টির প্রেসিডেন্ট, যুব উইংস, অন্ধ্র প্রদেশ
  • ·  ১৯৭৮-৮৫: বিধায়ক অন্ধ্রপ্রদেশ
  • ·  ১৯৮০-৮৫: অন্ধ্রপ্রদেশের বিজেপি পার্টির নেতা ও বিধায়ক 
  • ·  ১৯৮৫-৮৮: সাধারণ সম্পাদক, অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্য বিজেপি
  • ·  ১৯৮৮-৯৩: প্রেসিডেন্ট, অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য বিজেপি
  • ·  ১৯৯৩-২০০০: সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, ভারতীয় জনতা পার্টি
  • ·  সচিব, বিজেপি পার্লামেন্টারি বোর্ড
  • ·  সচিব, বিজেপি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি
  • ·  বিজেপি মুখপাত্র
  • ·  ১৯৯৮ সাল থেকে: সদস্য, কর্নাটক রাজ্যসভা (বার)
  • ·  ২০০০-২০০২: কেন্দ্রীয় গ্রামউন্নয়ন মন্ত্রী
  • ·  ২০০২-২০০৪: প্রেসিডেন্ট, ভারতীয় জনতা পার্টি
  • ·  ২০০৫: ভাইস প্রেসিডেন্ট, ভারতীয় জনতা পার্টি।
  • ·  ২০১৪-১৭: নগর উন্নয়ন, হাউসিং এবং আরবান পভার্টি আলেভিয়েসন এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
  • ·  ২০১৬-১৭: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
  • ·  ২০১৭- ভারতের উপরাষ্ট্রপতি
loading...
loading...