Sunday, 17 September 2017

গরীব গৃহহীনদের জন্য ৫ কোটি বাড়ি বানাচ্ছে মোদি সরকার




ওয়েবডেস্কঃ- কেউ আর গৃহহীন থাকবে না। গরীবদের জন্য বানানো হবে ৫ কোটি বাড়ি। ২০২২ সালের মধ্যেই এই ৫ কোটি বাড়ি বানানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এক সেমিনারে এ কথা জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী  শ্রী নরেন্দ্র মোদি। 

  মোদি আরও বলেছিলেন, ‘প্রায় ২ কোটি মানুষ শহরে বাস করেন। আর বাকি ৩ কোটি মানুষ থাকেন গ্রামে। যাদের নিজেদের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু নেই। স্বাধীনতার এত বছর পরেও তারা গৃহহীন। তবে এবার সেই অবস্থা বদলাবে।
মোদি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের মধ্যে ৫ কোটি বাড়ি বানানোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করবে। একইসঙ্গে গরীবদের জন্য বাড়ি বানানোর ওই প্রকল্প ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’-য় অনেক কর্ম সংস্থানের সুযোগ হবে

  বিনা অসুবিধায় যাতে বহু মানুষ মোদির এই ফ্ল্যাগশিপ স্কিমে যোগ দেওয়া শুরু করেছে৷ দেশের মধ্যে দু’লাখের বেশি কমন সার্ভিস সেন্টারের প্রায় ৬০ হাজার সেন্টার শহর অঞ্চলে অবস্থিত৷ গত বছরের ৩ নভেম্বর থেকে মাত্র ২৫ টাকায় অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে৷ এই বিষয়ে HUPA মন্ত্রালয় ও ইলেকট্রনিক্স ও ইনফরমেশন টেকনলজির কমন সার্ভিসেস সেন্টার ই-গভারন্যান্স সার্ভিসেস ইন্ডিয়া লিমিটেডের মধ্যে একটি মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছ। 

এই প্রজেক্টের ব্যপারে বিষদে জানতে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে। 



Saturday, 16 September 2017

হার মানলো প্রশাসন, কলকাতাতে আসছেই RSS প্রধান

ওয়েবডেস্কঃ- তিনি কলকাতাতে সভা করতে চাইলেই বাধার সন্মুখিন হন। বিভিন্ন ভাবে তাঁর সভাকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়ে। কখনও সঙ্ঘীদের হতে হয়ে আদালতের দ্বারস্থ, কখনও বা ওনাকে প্রধানবক্তা হিসাবে আনার অপরাধে(RSS-র অভিযোগ) বাড়তি টাকা নিয়েও বাতিল করা হয়ে সভা। কিন্তু তাতেও দমে পরে না রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের স্বয়ং সেবকরা।

  যানা গেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভগবতের সভা নির্ধারিত সময়েই হবে কলকাতায়। পূর্বনির্ধারিত মহাজাতি সদনে হচ্ছে না মোহন ভগবতের সভা। পূজার পরেই রাজ্যে আসার কথা রয়েছে RSS প্রধান মোহন ভগবতের। আগামী মাসের তিন তারিখে শহরে আসবেন তিনি। প্রথমে ঠিক হয়েছিল মহাজাতি সদনে অনুষ্ঠিত হবে মোহন ভগবতের সভা। কিন্তু, সেখানে বারতি টাকা নিয়ে সভার অনুমতি দিয়েও পরে তা বাতিল করে প্রশাসন। যার জেরে তৈরি হয় জটিলতা।

  জানা গিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর নির্দিষ্ট দিনে সভা সফল করার জন্য  উদ্যোগতাদের সহায়তার জন্য স্বয়ং সেবকদের নির্দেশ দেন স্বয়ং মোহন ভগবত। সেই মতো আসরে নেমে পড়েন সংঘের সেবকরা। রাজ্য সরকার সভার অনুমতি না দেওয়ায় খোঁজ করা করা হয় কেন্দ্র সরকার পরিচালিত সভাস্থলের। একাধিক স্থান পর্যবেক্ষণের পর সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে সংঘ প্রধানের সভা অনুষ্ঠিত করা হবে বলে ঠিক করেছে আরএসএস। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও মিলেছে বলে জানানো হয়েছে সংঘের তরফ থেকে।

  মোহন ভগবতের সভা ঘিরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘের বিরোধ নতুন কিছু নয়। এর আগেও এই ঘটনার সাক্ষী থেকেছে শহর। কয়েকমাস আগেই শহরে মোহন ভগবতের সভার জটের জল গড়িয়েছিল আদালতে। অনেক নিয়ম মেনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই বিষয়ে আরএসএস দক্ষিণবঙ্গ সভাপতি জিষ্ণু বসু একটি দৈনিক পত্রিকাকে বলেছেন,“রাজ্য সরকার অনৈতিকভাবে আমাদের সভা করতে দিচ্ছে না। এভাবে আমাদের আটকে রাখা যাবে না।”

Thursday, 14 September 2017

পুরনো গৌরব ফিরে পেতে চলেছে এলাহাবাদ

ওয়েবডেস্কঃ- ঐতিহাসিক শহর এলাহাবাদ আবার তার ঐতিহাসিক নাম ফিরে পেতে চলেছে। জানিয়ে রাখি যে অখিল ভারতীয় আখারা পরিষদের সুপারিশ মেনে এলাহাবাদ আবার প্রয়াগ নগর হতে চলেছে। আদি কাল থেকে এর নাম প্রয়াগ ছিল, কিন্তু আজ থেকে প্রায় ৫০০ বছর আগে হিন্দুদ্রোহী মোঘলরা এর নাম বদলে আল্লাহ আবাদ করে দেয়, যা পরবর্তী কালে এলাহাবাদ হয়ে যায়।  কিন্তু যোগী সরকারের দৌলতে প্রয়াগ আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পেতে চলেছে।

  যদিও এর আগে রাজনাথ সিং মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়ও এই প্রচেষ্টা হয়েছিল। সকলে সন্মতি জানালেও শেষ পর্যন্ত নাম বদল করার আগেই সরকার বদল হয়ে যায়ে। রবর্তী মায়াবতি বা যাদব পরিবারের সরকার এই নাম পরিবর্তনের জন্য আর কিছুই করেনি। ফলে শহরটিকে প্রাচীন দেশীয় নাম-কে ফিরিয়ে আনা আর হয়ে ওঠেনি। যোগী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই এই  উদ্যোগ নিতে শুরু করে।

ইসলামিক বাংলাদেশে অত্যাচারিত চাকমা বৌদ্ধদের নাগরিকত্ব দিচ্ছে ভারত

 ওয়েবডেস্কঃ- গত বুধবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে এক সভা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে মুসলিম মৌলবাদীদের নির্যাতনে ভারতে পালিয়ে আসা চাকমাদের অনেককেই নাগরিকত্ব দেবে ভারত। এই সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের এক আদেশ মেনেই নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। অতি শান্তিপ্রিয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী চাকমা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত এমন এক সময় নিল যখন মায়ানমারের সেনাদের কাছে মার খেয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী প্রায়ে ৪০ হাজার মুসলিম রোহিঙ্গা-দের ফেরত পাঠানোর কথা জানিয়েছে ভারত সরকার। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মায়ানমার সফরও করেছেন।

  রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় না দেওয়া প্রসঙ্গে ভারত সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারত অবৈধ অভিবাসন নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে রোহিঙ্গা মুসলিমদের অভিবাসন নিয়ে। কারণ তারা ভারতে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করতে পারে।’ রোহিঙ্গা মুসলিমদের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-র যোগাযোগের সম্পর্কে কয়েকদিন আগেই সাবধান করেছে ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ। ২০১৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট চাকমাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তখনও অরুণাচলের কংগ্রেস সরকার সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে। যদিও বিচ্ছিন্নতাবাদী রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারত থেকে তারানোকে কংগ্রেস সবথেকে বেশি বিরোধ করছে।

  ১৯৬০ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে ইসলামিক পাকিস্তান এবং পরবর্তী সময়ে ইসলামিক বাংলাদেশে, নিপীড়নের শিকার হয়ে চাকমারা ভারতে পালিয়ে আসতে থাকে। তারা ভারতের অরুণাচল প্রদেশসহ ত্রিপুরা, আসাম, মিজুরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে বিচ্ছিন্নভাবে আশ্রয় নেয়। চাকমারা বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল ও মায়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলেও আশ্রয় নিতে থাকে। আসাম হয়ে আসা এইসব শরণার্থীদের সংখ্যা ১৯৬৪-৬৯ সালে ছিলো ৫ হাজার, বর্তমানে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ।

Wednesday, 13 September 2017

দেশে তীব্র খাদ্য সঙ্কট, ভাতের জন্য মায়ানমারের কাছে হাত পাতলো বাংলাদেশ


ওয়েবডেস্কঃ- মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশদ্রোহী রোহিঙ্গা মুসলিমদের উচ্ছেদের ডামাডোলের মধ্যেই সেই দেশ থেকে চাল আমদানির চুক্তি করতে মায়ানমার গেলেন ইসলামিক রাষ্ট্র বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। গত ৬-ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ তে খাদ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মায়ানমার যায়ে। দলটি মায়ানমার থেকে বছরে ১০ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরও (এমওইউ) করেছে। পাশাপাশি দ্রুত ২ থেকে ৩ লক্ষ্য টন চাল আমদানির ব্যাপারেও চুক্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  বাংলাদেশর প্রতিনিধিদলে খাদ্যমন্ত্রী ছাড়াও আছেন সেদেশের খাদ্য মন্ত্রালয়ের অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিঞা, খাদ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর খাদ্যসচিব মো. কায়কোবাদ হোসেন ও উপসচিব জহিরুল ইসলাম খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলম্বিয়া যান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস রিলিজ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণ সাধারণভাবে পরিহার করার কথা বলা হয়েছে। অবশ্য জাতীয় স্বার্থে বিশেষ ক্ষেত্রে তা করা যেতে পারে। বাংলাদেশে এখন খাদ্যাভাব চরমে। অতি নিম্ন মানের মোটা চালের দামও কেজি প্রতি ৪৫ টাকা বা তার বেশি। চালের উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। সংকট কাটাতে খাদ্য মন্ত্রক চলতি বছর ১৫ লাখ টন চাল আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে। মাঝারি মানের চালের দর কেজিতে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা ও সরু চাল ৫২ থেকে ৫৮ টাকা। দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১০ লাখ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করলেও গত চার মাসে মাত্র ২ লাখ ৫৫ হাজার টন চাল সংগ্রহ করতে পেরেছে খাদ্য দপ্তর।

  এর আগে বাংলাদেশ ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে ১০ লাখ টন করে মোট ৩০ লাখ টন চাল আমদানির জন্য চুক্তি করেছে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম থেকে ৯০৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকায় আড়াই লাখ টন চাল আমদানির চুক্তি হয়েছে। ওই চালের মধ্যে ভিয়েতনাম থেকে প্রায় ১ লাখ টন চাল দেশে পৌঁছেছে। আর আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এসেছে আরও ২৭ হাজার টন চাল। ভারত থেকেও গত মাসে বাংলাদেশের খাদ্য সংকট মেটানোর জন্য এক জাহাজ চাল পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তা ছিল প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম।

  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে উত্তেজনা এখন আন্তর্জাতিক মাত্রা পেয়েছে। এমন সময়ে চাল আমদানির জন্য মায়ানমারের সঙ্গে চুক্তি কতটুকু সফল হওয়া যাবে—খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের কাছে এমন প্রশ্ন করা হলে সে দেশের পত্রিকা প্রথম আলোকে তিনি বলেন,‘মায়ানমার সফরের আগে আমি প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। তাঁরা আমার এই সফর অনুমোদন করেছেন। রাজনৈতিক কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে বাণিজ্য তো বন্ধ থাকতে পারে না।’ তবে যে যাই বলুক ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মায়ানমারের সব রকমের অভিযানের পরেও, অপর এক ইসলামিক রাষ্ট্র বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ কিন্তু,"আপনি বাঁচলে বাপের নাম" এই প্রাচীন বাংলা প্রবাদ কেই প্রমাণ করে দিল।

সিপিএম কারও বাপের পার্টি নয়! ঋতব্রত ট্যুইট এখন ভাইরাল

সিপিএম কারও বাপের পার্টি নয়! ঋতব্রত ট্যুইট এখন ভাইরাল


ডেস্ক: বুধবার কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের শেষে সিপিএম থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ আর খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷ পার্টি থেকে যে তাঁকে বহিষ্কার করা হবে সে ব্যাপারে চব্বিশ ঘন্টা আগেই নিশ্চিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন হওয়া এই তরুণ তুর্কি৷ তাই আগেভাগেই টুইট্যারে কটাক্ষের সুরে তিনি লেখেন, ‘পার্টি আমার পার্টি তোমার, পার্টি কারও বাপের নয়।’ ঘনিষ্ঠ মহলে ঋতব্রতর দাবি করেছেন, তিনি সঠিক বিচার পাননি। তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি৷ দলে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আগেই তাঁকে সাসপেন্ড করে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পার্টির পেটুয়ারা, যাঁরা তাঁর উত্থানে ঈর্ষান্বিত ছিলেন, তাঁরাই চক্রান্ত করে রাজনৈতিক অস্তিত্বকে বিপন্ন করা জন্যই এমনটা ঘটিয়েছেন৷

জাতিসংঘ অধিবেশনে যাচ্ছেন না সু চি


1372
Shares

জাতিসংঘ অধিবেশনে যাচ্ছেন না সু চি

loading...
loading...