Wednesday, 13 September 2017

মায়ানমারকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার হুমকি আল কায়েদার

উ. কোরিয়ার বোমা পরীক্ষার পর তেজস্ক্রিয় গ্যাস সনাক্ত



গত ৩ সেপ্টেম্বর শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা চালানোর ঘোষণা করেছিল উত্তর কোরিয়া। যার জেরে দেশটির উপর নতুন করে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

‘দ্য নিউক্লিয়ার সেফ্টি অ্যান্ড সিকিউরিটি কমিশন’ (এনএসএসসি) জানায়, তাদের ভূমি-ভিত্তিক জেনন সনাক্তকরণ যন্ত্রে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নয় বার জেনন-১৩৩ গ্যাস সনাক্ত হয়েছে। আর দেশটির পূর্ব উপকূলে চারবার জেনন গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
সিওলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এনএসএসসি’র কমিশনার চিওই জংবায়ে বলেন, “যে পরিমাণ জেনন সানাক্ত হয়েছে তার মাধ্যমে পরীক্ষা চালানো পরমাণু বোমাটি কতটা শক্তিশালী ছিল তা অনুমান করা কঠিন। তবে আমরা বলতে পারি, উত্তর কোরিয়া থেকে আসা জেনন গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।”
তবে উত্তর কোরিয়ার পরীক্ষা চালানো পরমাণু বোমাটি কি ধরনের ছিল সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
উত্তর কোরিয়া থেকে আসা জেনন গ্যাসে দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবেশ ও জনগণের উপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে জানায় এনএসএসসি।

সেনা অভিযান বন্ধ করুন: মিয়ানমারকে জাতিসংঘ মহাসচিব


রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতা এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাসচিব বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক পরিস্থিতি বিপর্যয়কর অবস্থায় পৌঁছেছে।
দেশান্তরী রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা দিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Monday, 11 September 2017

সেনার কাছে প্যাঁদানি খেয়ে, যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা রোহিঙ্গা জঙ্গিদের




ওয়েবডেস্কঃ- মায়ানমারের ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী রোহিঙ্গা জঙ্গিরা এক তরফা ভাবে এক মাসের জন্য যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা করেছে। গত রবিবার থেকে এই যুদ্ধ বিরতি কার্যকর করা হয়েছে।

  আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা এআরএসএ-র শনিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তারা রাখাইনে মানবিক সংকট বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা আশা করছে মায়ানমারের সেনাবাহিনীও সেখানে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করবে।’ তবে এ বিষয়ে এখনও মায়ানমার কর্তৃপক্ষের থেকে অফিসিয়ালি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  যদিও অনেকেই মনে করছেন, মায়ানমারের সেনা বাহিনীর হাতে বেধড়ক মার খেয়ে এবং রাষ্ট্রসংঘের কোন প্রভাবশালী রাষ্ট্র এমন কি পাকিস্তানের মত মুসলিম রাষ্ট্রকেও পাশে না পেয়ে, শেষে এই বিচ্ছিন্নতাবাদীরা একরকম বাধ্য হয়েই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা করেছে।

  গত ২৫ আগস্ট পুলিশের উপর এই রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের চালানো হামলার প্রতিক্রিয়ায় রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হয়, যার ফলে প্রায় মায়ানমারকে টুকরো করতে চাওয়া তিন লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশে শরণার্থীর স্রোত এখনো অব্যাহত। বহু রোহিঙ্গা নিহত হচ্ছেন এবং সীমান্তের দুপাশেই তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি।

  এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তরফ থেকে এক তরফা যুদ্ধ রবিরতির ঘোষণা এলো। একই সঙ্গে তারা সাহায্যকারী বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে রাখাইন এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড  আবার শুরু করারও আহ্বান জানিয়েছে। 







তথ্য : বিবিসি

Saturday, 9 September 2017

তদন্তে পাওয়াই গেল না রোহিঙ্গা গণ-হত্যার প্রমাণ


ওয়াবডেস্কঃ- মায়ানমারকে ধর্মের নামে ভাগ করতে চাওয়া রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যাকে কেন্দ্র করে মায়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে সন্মতি জানাতে অস্বীকার করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসটিভি এবং MT News-র খবর অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিথার নাউয়ার্ট সাংবাদিকদের বলেন, "মায়ানমার নিয়ে আলোচনা চলছে এবং এ সময় আগ বাড়িয়ে অযথা কোন পদক্ষেপ নিতে চায় না  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তিনি দাবি করেন, মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় সহায়তায় গণহত্যা চালানো হচ্ছে বলে যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে তা বিশ্বাসযোগ্য বলে কোন প্রমাণই পায়নি মার্কিন কর্মকর্তারা।" এমতাবস্থায়ে কিছু ভিত্তিহীন উস্কানি মূলক খবরের উপর ভিত্তিকরে, আমেরিকার মত দায়িত্বশীল দেশের পক্ষে সম্ভব নয়ে অকারণে মায়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার জন্য আহ্বান জানানো। উল্লেখ্য রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান, ভারতের পর মায়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে যেতে অস্বীকার করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও।

  আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি(আরসা) নামে একটি ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠন, গত ২৫ আগস্ট ভোরে রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ চৌকিতে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ ঘটনার পর সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত মংডু, রাথেডাং, বোথেডাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেনা অভিযানে এ পর্যন্ত চারশো-র বেশি সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছে বলে প্রচার করছে মুসলিমরাষ্ট্র গুলোর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। এমন কি সোশ্যাল মিডিয়াতে চিনের ভুমিকম্পে ধ্বংস বাড়ি ও নিহতদের ছবিকেও মায়ানমারে আক্রান্ত রোহিঙ্গা মুসলিমদের ছবি বলে অনেক উস্কানি মূলক প্রচার করেই চলেছে, ঐসব দেশের হেফাজত-ই-ইসলাম বা জামাত-উল-বাংলাদেশের মতো একাধিক ইসলামিক সংগঠন। এইসব ভুয়ো খবরের উপর ভিত্তি করে আবার আমাদের দেশেরও অনেক মানবতাবাদীরা সু কি-র নোবেল ফেরতের জন্য পিটিশন তৈরি করেছে।

  মায়ানমার ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার সময় থেকেই রোহিঙ্গা মুসলিমরা মায়ানমারকে ধর্মের নামে ভাঙতে চেয়ে একাধিক রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা করেছে। রোহিঙ্গা মুসলিমদের এহেন আচরণ দেখে শেষে একরকম বাধ্য হয়েই শাস্তি হিসাবে মায়ানমার সরকার ৮০-র দশকে ওদের নাগরিকত্তই বাতিল করে দেয়। এর পরেও ওরা না তো দেশ ভাঙ্গার দাবি ছেড়েছে, না বন্ধ করেছে দাঙ্গা। এই জন্যই আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ। এতে কিছু মানুষের সমস্যা হলেও এই অঞ্চলে বসবাসকারি বিচ্ছিন্নতাবাদী রোহিঙ্গা মুসলিমদের দুরবস্থা নিয়ে, যে অতিরঞ্জিত প্রচার চালানো হচ্ছে তার অধিকাংশই যে মিথ্যা সেটা মার্কিন রিপোর্টই প্রমাণ করলো।

Thursday, 7 September 2017

খালি সারি সারি এসি তাবু, তাও ১০০০ রোহিঙ্গা মুসলিমেরও ঠাই মেলেনা সৌদি আরবে...

 ওয়েবডেস্কঃ-  সৌদি আরব, পৃথিবীর ধনীতম দেশ গুলোর মধ্যে একটি। এই দেশের দিকে কেউ চোখ তুলে দেখলেও যে কোন সময়, সারা পৃথিবীর কোটি কোটি ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রাণের ঝুকি নিয়েও দেশটিকে রক্ষা করার জন্য তৈরি হতে পারে। কারণ এই দেশটি ইসলামের প্রাণকেন্দ্র। 

  এই ধনকুবের মরুভুমির দেশটির মিনা শহরে রয়েছে পৃথিবীর সব থেকে বেশি তাবুর সারি। তাই এই মিনা শহরকে টেন্টসিটি বা তাবু নগরীও বলা হয়ে। অত্যাধুনিক উপায়ে পয়ঃপ্রনালি এবং শৌচালয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে। কিন্তু চমকটা অন্য জায়েগাতে। আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তাবু নগরি বা টেন্ট সিটিতে একলক্ষ বাতানুকূল বা এসি তাবু রয়েছে। প্রত্যেকটি তাবুতে তিন জন অর্থাৎ মোট তিরিশ লক্ষ মানুষ এই টেন্ট সিটিতে থাকতে পারে। এই বিলাশ বহুল টেন্ট সিটি বছরের একটা বড় সময় এমনিই খালি পরে থাকে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হল এই বিলাস বহুল তাবু গুলো খালি পরে থাকলেও(অনেক সময়ই) পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে, বিভিন্ন কারনে আক্রান্ত মুসলিম উদ্বাস্তুদের একজনকেও এখানে ঠাই দেওয়া হয়ে না। 

  এই রকমই অভাগা মুসলিমদের মধ্যে পরে মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়। বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে নাগরিকত্ব গেছে বহু আগেই। তাই মায়ানমারে ওরা ন্যুনতম নাগরিক সুবিধা টুকুও পায়ে না। এরপরেও বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতা বজায়ে রেখে সশস্ত্র আন্দোলন করার জন্য

  প্রায়ে প্রতিদিনই মায়ানমারের সেনাদের কাছে আক্রান্ত হতে হচ্ছে। প্রাণ বাঁচাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিম বহু দিন আগে থেকেই
পালিয়ে গেছে। পৃথিবীর অনেক দেশ এমনকি নেপালের মত হত দরিদ্র দেশও ওদের ঠাই দিলেও, সৌদির মত ধকুবের দেশে ওদের ঠাই মেলেনি।  তবে একজনকেও ঠাই দেয়নি বললে ভুল হবে, তবে সংখ্যাটা না দেওয়ার মতই। হয়েতো মুখ বাচাতে ঐ কয়েকজনকে ঠাই দেওয়া হয়েছে। জানলে অবাক হবেন, সৌদি আরবের থেকে বেশি রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের ঠাই দিয়েছে নেপাল। ভারতীয় সংস্কৃতিকে অনুসরণ করে চলা দেশ নেপাল পরিচয় দিয়েছে মানবিকতার। ভারতে জামাই আদরে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিমদের সংখ্যাটা আলাদা ভাবে নাই বা বললাম।

  এই রকম অবস্থায়ে অনেক নেটিজেনরাই প্রশ্ন তুলেছে, যে দেশে একলক্ষ এসি তাবু থাকতে পারে(যা অনেক সময়ই ফাঁকা থাকে), সেই দেশ কি মাত্র একহাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকেও ঠাই দিতে পারে না? ঐ ফাঁকা পরে থাকা একলক্ষ তাবু গুলোর থেকে কি মাত্র ৫০০টা তে ওদেরকে ঠাই দেওয়া যায়ে না? সৌদির সংস্কৃতিকে যারা অনুসরণ করে, সেই আক্রান্ত রোহিঙ্গাদের প্রতি সৌদির এই অবহেলা কেন? প্রত্যাশা মতই কোন উত্তর কারুর থেকেই পাওয়া জায়েনি। তবে মনে করা হচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্যই হয়েতো ওদের থেকে গা বাঁচিয়ে চলছে সৌদি আরব। আর সেই জন্যই ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী রোহিঙ্গা মুসলিমরা মাথার উপর ছাদ না পেয়ে মরছে এবং ওদেরই পিতৃতুল্য দেশ সৌদি আরব এসি টেন্ট গুলোতে ওদের ঠাই না দিয়ে ধনী স্বচ্ছলদের ব্যবহারের জন্য ফাঁকা ফেলে রাখছে।

Tuesday, 5 September 2017

রাশিয়া চিনের ভেটো ভেস্তে দিল রোহিঙ্গা জঙ্গি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব


ওয়েবডেস্কঃ- ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিরাপত্তা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে আনা প্রস্তাবে ভেটো দিল বামরাষ্ট্র চীন এবং রাশিয়া। অবাক করার বিষয় ইসলামিক রাষ্ট্র হয়েও পাকিস্তান চীনের এই ভেটোকে সম্পূর্ণ সমর্থনও করে দেওয়া। রোহিঙ্গারা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন করে মায়ানমারের সেনাদের কাছে আক্রান্ত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন দেশে। ২ লক্ষের বেশি রোহিঙ্গা দেশ ছাড়া। গত ২৫সে অগাস্ট মায়ানমার সেনাদের এবং পরে ওখানের কিছু নিরীহ হিন্দুদের উপর আক্রমণ করার পর, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সেনাদের পালটা মারে এখন আবার নতুন করে আক্রান্ত মায়ানমারকে ভাঙ্গতে চাওয়া রোহিঙ্গা মুসলিমরা।

  গত সপ্তাহে মায়ানমারে ওদের হাল হকিকতের খবর নেওয়ার জন্য রাষ্ট্র সংঘের কিছু সদস্য রাখাইন প্রদেশ যেতে চাইলে ঐ দেশের সরকার অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। রয়েটার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল প্রধানত ব্রিটেনের রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধিদের উদ্যোগেই, রোহিঙ্গা মুসলিমদের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের একটি প্রস্তাব পাস করাতে চায়ে। এই প্রস্তাবকে ভেটো দিয়ে আটকে দেয় মায়ানমারের পুরানো বন্ধু রাশিয়া এবং বামপন্থী রাষ্ট্র চীন। কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে, রাশিয়া ও চিন নিজের দেশেই ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমস্যা নিয়ে লড়ছে। এই অবস্থায়ে গরীব রাষ্ট্র মায়ানমারের অবস্থা কি সেটা তারা বুঝতে পারছে।

  রাষ্ট্রসংঘে ব্রিটেনের প্রতিনিধি ম্যাথিউ রাইক্রফ্ট বলেন, "আমরা ওদের বিষয় কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু সেই প্রস্তাবে সকলের একমত হওয়া জায়েনি"। মায়ানমারের প্রতিবেশি চিন জানিয়েছে এই ধরণের যে কোন বিষয়ে প্রস্তাব পাস করানোর আগে সকলের একমত হওয়া প্রয়োজন, কিন্তু ঐ প্রস্তাবে সকলে একমত হতে পারেনি। রাশিয়াও চিনের অবস্থানকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।
loading...
loading...