Sunday, 15 October 2017

ভারতে পশ্চিমবঙ্গ তামাক সেবনের শীর্ষে

ভারতের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউট্রিশনের এক সমীক্ষা অনুযায়ী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ তামাক সেবনের শীর্ষে অবস্থান করছে। এই অঞ্চলের ৪০.৬ শতাংশ মানুষ সেবন করেন তামাকজাত দ্রব্য।

কদিন আগেই কলকাতার সংবাদপত্রে সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের মধ্যে ১৬ শতাংশ তামাকজাত দ্রব্য সেবন করে। আর মদজাতীয় পানীয়তে আসক্ত ৩০ শতাংশ মানুষ। মদ্যপানের দিক দিয়ে দেশের শীর্ষে রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। এই অঞ্চলের ৫১ শতাংশ ৩ শতাংশ পুরুষ মদজাতীয় পানীয় পান করেন। এই তালিকায় দ্বিতীয় অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানা রাজ্য।

ওই দুই রাজ্যের ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ মদ্যপানে আসক্ত। আর তামাকজাতীয় দ্রব্য সেবনে এই দুই রাজ্যের স্থান ৫ নম্বরে। এই দুই রাজ্যের ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য সেবন করে।

ঢের হয়েছে, আর ভারতবিরোধী শক্তিকে প্রশয় দেবে না বাংলাদেশ

ওয়েবডেস্কঃ- ঢের হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ভারত বিরোধী শক্তিকে সেদেশের মাটি আর ব্যবহার করতে দেবে না বলে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

গত শনিবার আগরতলায় সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গত তিন বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ভারত সরকার অভূতপূর্ব ভাবে সব ধরণের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবেশি এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের নৈকট্য যে বিশ্বাস ও আস্থার ওপর গড়ে উঠেছে তাকে সযত্নে এগিয়ে নিয়ে যেতে গণমাধ্যমকে দিশারি হিসাবে কাছে পেতে চায় বাংলাদেশ। কারণ প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তরিক গভীরতা গড়ে উঠেছে তা গোটা বিশ্বের কাছে বিরলতম ঘটনা। আর এক্ষেত্রে দুই দেশের গণমাধ্যমই সম্পর্কের এই মাইল ফলককে দুই প্রতিবেশীর মানুষের ভাবনা ও রক্তের মধ্যে গেঁথে দিতে পারে।

দুই দেশের মধ্যে তিস্তার জল বণ্টনসহ কিছু বিষয় অমীমাংসিত থাকলেও পারস্পরিক সংলাপের মধ্য দিয়েই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ইকবাল সোহবান চৌধুরী।

রোহিঙ্গা শরণার্থী ইস্যুতে ভারতের অবস্থান বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না-সাংবাদিকদের এমন একটি প্রশ্নের উত্তরে সোবহান চৌধুরী বলেন আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তাই কোনো বহিরাগত সমস্যা আমাদের এই সম্পর্ককে নষ্ট করতে পারবে না।

তিনি অবশ্য স্বীকার করে নেন যে, মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন এবং সেদেশ ছেড়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রথমে কিছুটা সংশয় ছিল। কিন্তু এখন আমরা দেখছি যে মায়ানমারে সংঘর্ষের স্থায়ী সমাধানের জন্য ভারত উদ্যোগী হয়েছে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে।

মৃত্যু নিয়ে চাই না রাজনীতি, অমিতাভের ঘরে ধুকতেই পারলো না অধীর চৌধুরী

ওয়েবডেস্কঃ-  দার্জিলিঙে আততায়ীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এসআই অমিতাভ মালিক-র। শনিবার পূর্ণ মর্যাদাতে সম্পন্ন হয়ে তাঁর শেষকৃত্য। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নিহত অফিসারের বাড়িতে রাজনৈতিক নেতাদের আনাগোনা বাড়ল। শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার এক দিন পর মৃত এসআই-র বাড়িতে তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে যান কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তবে তাকে কোন ভাবেই ঢুকতে দেওয়া হল না অমিতাভের বাড়িতে। অমিতাভের নিকট জনদের সাফ কথা।

  মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা এসআই অমিতাভ মালিকের মৃত্যুতে বাড়িতে শোকের আবহ। কান্না এখনও বাধ মানছে না বাবা-মা-স্ত্রীর। আত্মীয় পরিজনের চোখও ভিজে রয়েছে। বাড়িতে পাড়া প্রতিবেশি থেকে আত্মীয়, সকলের যাতায়াত অব্যাহত। এরমধ্যেই গতকাল অমিতাভ মালিকের বাড়িতে যায় কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল। নেতৃত্বে ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাড়ার ছেলের মৃত্যুর পর ঘন ঘন সব রাজনৈতিক নেতাদের আনা গোনা এবং এই মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি মেনেই নিতে পারেনি অমিতাভের বন্ধু তথা প্রতিবেশীরা। এক রকম জোর করেই বাড়ির গেট আগলে অধীর চৌধুরিকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়ে। 

শেষ পর্যন্ত অমিতাভর বাবা সোমেন মালিক বাড়ির বাইরে এসে ভদ্রতার খাতিরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে দেখা করেন। অধীর তাঁকে সমবেদনা জানান। মিনিট খানেক কথা বলে অবস্থা প্রতিকূল বুঝে বাড়ির বাইরে থেকেই ফিরে আসেন অধীর চৌধুরী।

Saturday, 14 October 2017

যে ভাবে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে স্বাধীন হল গোয়া,দামান,দিউ



ওয়েবডেস্কঃ- ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে জন্ম হয় ভারত ও পাকিস্তান। আগস্টের পূর্বে বৃটিশ ভারতে ৫৬৫ দেশীয় রাজ্য ছিল। কাশ্মীর, হায়দ্রাবাদ (অন্ধ্রপ্রদেশ) ও গোয়া প্রদেশ ভারত-পাকিস্তান কোন দেশে যোগ দেয়নি। গোয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ভারত পর্তুগালের যুদ্ধ।

  ১৫৩০ সাল থেকে পর্তুগীজ ভারতের রাজধানী গোয়া। ১৬৬১ সালে পর্তুগীজ রাজকুমারী ক্যাথরিনের সাথে বৃটিশ রাজকুমার ২য় চার্লসের বিয়ে হয়। বিয়েতে চার্লসকে যৌতুক দেয়া হয় বোম্বাই (বর্তমান মুম্বাই)। ফলে ভারতের পশ্চিম উপকূলের বিশেষত মহারাষ্ট্র থেকে দক্ষিণ পশ্চিম গুজরাটের একটা অংশ চলে আসে ব্রিটিশদের দখলে। এবং এর পর থেকে ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তার বন্ধই করে দেয় লিসবন। সেই থেকেই বৃটিশ পর্তুগীজ সুসম্পর্ক বিদ্যমান। ছিটমহল দামান, দিউ, দাদরা, নগর হাভেলি সহ গোয়ার মোট আয়তন ৪০০০ বর্গ কিমি। ১৯৪৭ সালে গোয়ার জনসংখ্যা ৬৩৭৫৯১ জন। অনুপাত হিন্দু ৬১%, খৃস্টান ৩৬.৭%, মুসলিম ২.২%।


  ২৭ ফেব্রুয়ারী ১৯৫০। ভারত পর্তুগীজ সরকারকে পর্তুগীজ কলোনির ভবিষ্যত সম্পর্কে জানতে চেয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেয়। পর্তুগীজ জানায় যে গোয়া ভারত উপমহাদেশের কলোনি নয় কিন্তু আধুনিক পতুর্গালের অংশ। তাই এর হস্তান্তর অসম্ভব। ভারতের গোয়ার উপর কোন অধিকার নেই। গোয়া যখন পর্তুগীজ শাসনে আসে তখন গণপ্রজাতন্ত্রী ভারতের কোন অস্তিত্ব ছিল না।

   দাদরা ও নগর হাভেলির অন্তর্ভুক্তিঃ ভারতের আলোচনা প্রস্তাব ব্যর্থ হয়। তারপর ১৯৫২ থেকে গোয়া আক্রমণের পরিকল্পনা শুরু করে ভারত। দাদরা, নগর হাভেলি ও দামান ছিটমহল ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এই তিনটি ছিটমহলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ভারত।


  ভারত সমর্থিত কিছু সংগঠন (UFG, NMLO, AZD, RSS) সশস্ত্র বিদ্রোহ/বিপ্লবের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এদের মধ্যে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছিল AZD(আজাদ গোমন্তক দল) এবং  RSS(রাষ্ট্রীয় সয়ং সেবক সংঘ)।

  উল্লেখ্য ২২ জুলাই ১৯৫৪-র রাতে দাদরা পুলিশ স্টেশনে হামলা চালায় ইউ এফ জি। পরদিন সকালে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করে দাদরাকে স্বাধীন ঘোষণা করা হয়। ২৮ জুলাই আর এস এস ও এজিডি নারোলি পুলিশ স্টেশন ঘেরাও করে। পর্তুগীজ পুলিশ আত্নসমর্পণ করলে স্বাধীন হয় নারোলি।

  ২ আগস্ট আর এস এস ও এজিডি সিলভাসা প্রবেশ করে। ১৫০ পর্তুগীজ পুলিশ খানভেল পালিয়ে যায়। দাদরা ও নগর হাভেলি বিনা বাধায় স্বাধীনতা লাভ করে।

  পর্তুগীজ সেনা দাদরা প্রবেশ করতে চাইলেও বাধা দেয় ভারত। ১২ এপ্রিল ১৯৬০ আন্তর্জাতিক আদালত রায় দেয় যে, পর্তুগালের নিজ ভূখন্ডে প্রবেশের অধিকার আছে একইভাবে সশস্ত্র সেনা অনুপ্রবেশে বাধা দেবার অধিকারও আছে ভারতের।

   ১৫ আগস্ট ১৯৫৫ তে পুরুষ মহিলা সমেত প্রায়ে ৩০০০-৫০০০ ভারতীয়দের নিয়ে গোয়া প্রবেশের চেষ্টা করে সত্যাগ্রহ করা শুরু করেছিলেন জনসঙ্ঘ নেতা জগন্নাথ রাও জোশি। এই আন্দোলনকে অত্যন্ত ক্রুরতার সঙ্গে দমন করে গোয়া প্রশাসন। প্রায়ে ৩০ জন সত্যাগ্রহী বিরগতি লাভ করেন। আহতের সংখ্যাও ছিল প্রচুর। এই আন্দোলনের ঠিক এক বছর আগে AZD(আজাদ গোমন্তক দল) এবং  RSS(রাষ্ট্রীয় সয়ং সেবক সংঘ)-র নেতৃত্বে একই রকম সত্যাগ্রহ হয়েছিল যাকে পর্তুগীজ পুলিশ কঠোর হাতে দমন করে। কিন্তু এই আন্দোলন দেখে এক রকম ভয়ভীত হয়ে ওঠে পর্তুগীজ প্রশাসন। সেনার সংখ্যা বাড়াতে শুরু করে দেয় তারা। এই গণহত্যার কারণে গোয়াতে পতুর্গীজ অবস্থানের বিরুদ্ধে ভারতে তীব্র জনমত সৃষ্টি হয়। ১সেপ্টেম্বর ১৯৫৫ গোয়ার কনস্যুল অফিস বন্ধ করে দেয় ভারত।

   পর্তুগীজ প্রধানমন্ত্রী সালাজার ভারতীয় আগ্রাসন সম্পর্ক অবগত হয়ে ইংল্যান্ড ও রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিল মধ্যস্থতার আহ্বান জানায়। রাষ্ট্রসংঘে এটাই প্রথম এমন কেস ছিল যখন একটি ইউরোপিয়ান দেশ, একটি নন-ইউরোপিয়ান দেশের ভয়ে রাষ্ট্রসংঘের কড়া নেরেছিল।

  ১৯৬০-র মার্চে পর্তুগালের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনিজ সালাজারকে বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে অভিযান আত্নহত্যার সমান। মনিজের পরামর্শ অনেক সেনা কর্মকর্তা সমর্থন করলেও অগ্রাহ্য করেন সালাজার। ১৪ ডিসেম্বর গোয়ার গভর্ণর সিলভাকে সংবাদ প্রেরণ করেন সালাজার। তিনি পর্তুগীজ সেনাদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার আদেশ দেন। এছাড়াও কমপক্ষে ৮ দিন গোয়ার দখল ধরে রাখতে পারলে সালাজার ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আর্ন্তজাতিক সমর্থন সংগ্রহ করবেন।

   যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই আতঙ্কিত পর্তুগীজ জনগণ গোয়া ত্যাগের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ৯ ডিসেম্বর লিসবন গামী জাহাজে ৭০০ পর্তুগীজ গোয়া ত্যাগ করেন। কিন্তু জাহাজের ধারণ ক্ষমতা ছিল ৩৮০ জন। জাহাজের টয়লেটেও যাত্রী ধারণ করা হয়।

  পর্তুগীজের ছিল ৪০০০ স্থল সেনা ২০০ নৌসেনা, ১টি ফ্রিগেট ও ৩টি পেট্রোল বোট। ভারতের ছিল ৪,৫০,০০০ পদাতিক, ১টি ছোট বিমান বাহী রণতরী, ২টি ক্রুসার, ১টি ডেস্ট্রয়ার, ৮টি ফ্রিগেট, ৪টি মাইন সুইপার, ২০টি ক্যানবেরা ও ৬টি হান্টার মাল্টি রোল বিমান, ৬টি ভ্যাম্পায়ার ফাইটার, ৬টি তুফানি ফাইটার ও ৪ মিস্ট্রি ফাইটার বম্বার।

গোয়া আক্রমণঃ-

এই সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম অপারেশন বিজয়।

 ১লা ডিসেম্বর থেকে নজরদারি শুরু করে ভারত। INS BETWA ও INS BEAS নামে দুটি ফ্রিগেট গোয়া উপকূল থেকে ১৩ কিমি দূর থেকে প্রহরা দিচ্ছিল। বিমানবাহী রণতরী ভিক্রান্ত গোয়া উপকূল থেকে ১২১ কিমি দূরে অবস্থান নেয়। যার উদ্দেশ্য গোয়ায় অপারেশন চালানো ও বিদেশী আক্রমণ প্রতিহত করা।

    ১৭ ডিসেম্বর ১৯৬১, ৯:৪৫ মিনিটে গোয়ার উত্তর-পূর্বে মলিঙ্গম শহর দখল নেয় ভারতীয় সেনা। বিকালে পর্তুগীজ হাইকমান্ড সকল সেনাকে হেডকোয়ার্টারে ফেরত যেতে নির্দেশ দেয়। যাওয়ার পথে তারা বিচোলিম, চাপোরা ও আসোনোরা সেতু ধ্বংস করে দেয়। পরদিন ভোরে মারাঠা, পাঞ্জাব ও শিখ ব্রিগেড তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে গোয়া প্রবেশ করে। পর্তুগীজ সেনা পানাজি পালাবার পথে বেনেস্টারিম সেতু ধ্বংস করে দেয়। বিকাল ৫:৪৫ মিনিটে তারা মান্ডোবি নদী অতিক্রম করে। কিছুক্ষণ পর নদী তীরে পৌঁছে যায় ভারতীয় ট্যাংক বাহিনী।

  রাত ৮টায় গ্রেগরিও ম্যাগনো নামে এক গোয়াবাসী নদী পার হয় এবং পর্তুগীজ সেনাবাহিনীর আত্নসমর্পণ প্রস্তাব পত্র ভারতীয় মেজর শিবদেব সিং সিধুকে প্রদান করে। সেই রাতে সংবাদ আসে যে কিছু ভারতীয় সমর্থক আগুডা দূর্গে বন্দি। মেজর সিধু বন্দীদের মুক্ত করতে সসৈন্যে দূর্গে পৌঁছান। আত্নসমর্পণের কোন নির্দেশনা না থাকায় দূর্গের পর্তুগীজ সেনারা গুলি চালায়। মেজর সিধু ও ক্যাপ্টেন বিনোদ সেহগাল নিহত হন।

   ১৯ ডিসেম্বর সকাল ৭:৩০ মিনিট, নদী পার হয়ে বিনা বাধায় পানাজী দখল নেয় ভারতীয় সেনা। সেই সাথে ট্যাংক বহরের সহায়তায় আগুডা দূর্গ দখল নেয়া হয়। ডাবলিম বিমান বন্দর যাওয়ার পথে বর্ণা গ্রাম। এখানে ৫০০ পর্তূগীজ সৈন্য তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। প্রচন্ড যুদ্ধের পর বিকাল ৩:৩০ মিনিটে পর্তুগীজ সেনা আত্নসমর্পণ করে। এছাড়াও ১৮ ডিসেম্বর ডাবলিম বিমান বন্দরে মাত্র কয়েক মিনিটে ৬৩,০০০ পাউন্ডের বোমা বর্ষণ করে ভারতীয় বিমান বাহিনী। কয়েক বার হামলা চালিয়ে ভবন অক্ষত রেখে রানওয়ে ধ্বংস করা হয়। রাতেই দুটি পর্তুগীজ বিমান আকাশ প্রহরা এড়িয়ে পাকিস্তানের করাচি পালিয়ে যায়।

  ১.৫ বর্গ কিমির আনজিদিব দ্বীপে আক্রমণ করে ক্রুসার মহীশূর ও ত্রিশুল। ভারতীয় নৌসেনাকে প্রতিহত করে পর্তুগীজ। ৭ ভারতীয় নিহত ও ১৯ জন আহত হয়। পরদিন ১৯ ডিসেম্বর ২টায় দ্বীপের দখল নেয় ভারত। একই দিনের দুপুর ১২টায় পর্তুগীজ ফ্রিগেট আফোনসোকে গোলা ছুঁড়ে মোর্স কোডের মাধ্যমে আত্নসমর্পণের আহবান জানায় বেটোয়া ও ব্যাস নামে দুই ফ্রিগেট। জবাবে পাল্টা গোলা ছুঁড়ে আফোনসো। আফোনসোর গোলা ছোঁড়ার হার মিনিটে ২ রাউন্ড ও ভারতীয় জাহাজের মিনিটে ৬০ রাউন্ড। ১:১০ মিনিটে পর্তুগীজ নৌসেনা বিধ্বস্ত জাহাজ ত্যাগ করে সৈকতে নেমে যায়। ৫ পর্তুগীজ নিহত ও ১৩ আহত হয়। অবশ্য পরদিন আত্নসমর্পণ করে পর্তুগীজ সেনা।


  দামান আক্রমণঃ গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের নিকটবর্তী দামানের আয়তন ৭২ বর্গ কিমি। ৩৬০ পর্তুগীজ সেনা ও ২০০ পুলিশ দামান রক্ষার দায়িত্ব নিয়োজিত ছিল। ১৮ ডিসেম্বর ভোর ৪টায় ১ ব্যাটালিয়ন ও ৩ রেজিমেন্ট ভারতীয় সেনা দামান আক্রমণ শুরু করে। প্রথম দিকে পর্তুগীজ তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে। কিন্তু গোলা-বারুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। বিকাল ৫টার মধ্যে বেশির ভাগ এলাকা ভারত দখল নেয়। পর্তুগীজ কামান বাহিনী লক্ষ্য করে সর্বমোট ১৪ বার বিমান হামলা চালায় ভারত। পরদিন ১১টায় প্রায় ৬০০ পর্তুগীজ আত্নসমর্পণ করে। পর্তুগীজ সেকেন্ড লেফটেনেন্ট ব্রিটো পেট্রল বোট নিয়ে ৮৫০ কিমি সমুদ্র পাড়ি দিয়ে করাচি পালিয়ে যান।


   দিউ আক্রমণঃ- ৪০ বর্গ কিমির দিউ গুজরাটের দক্ষিণে অবস্থিত। দিউ সুরক্ষার দায়িত্বে ছিল ৪০০ সেনা ও পুলিশ। ১৮ ডিসেম্বর রাত ১:৩০ মিনিটে ৩ কোম্পানি ভারতীয় সেনা দিউ আক্রমণ করে। কিন্তু পর্তুগীজের তীব্র প্রতিরোধের মুখে বারবার পিছু হটতে বাধ্য হয় ভারতীয় সেনা। সকাল ৭টায় বিমান হামলা শুরু হলে পিছু হটতে বাধ্য হয় পর্তুগীজ। ১০:১৫ মিনিটে ক্রুসার INS Delhi বোমা বর্ষণ শুরু করে। সন্ধ্যা ৬টায় গোয়া বা লিসবন যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে পর্তুগীজ কমান্ডার আত্নসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। পরদিন ১২টায় আত্নসমর্পণ করে ৪০৩ পর্তুগীজ। দিউ গভর্ণর বলেন, আরো কয়েক সপ্তাহ আমরা ভারতীয় বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে পারতাম। কিন্তু বিমান হামলার কোন উত্তর ছিল না।

  ১৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘের কাছে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেয় যা সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটোর কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়। পরদিন রাত ৮:৩০ মিনিটে গভর্ণর জেনারেল ভেসেলো ই সিলভা আত্নসমর্পণ পত্রে স্বাক্ষর করেন। এভাবে গোয়ায় ৪৫১ বছরের পর্তুগীজ শাসনের সমাপ্তি ঘটে।

ক্ষয়ক্ষতিঃ পর্তুগীজের ৩০ সেনা নিহত ও ৫৭ আহত হয়। বিকল হয় ১টি ফ্রিগেট।
২২ ভারতীয় সেনা নিহত ও ৫৪ আহত।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াঃ-
 
পর্তুগাল> গোয়া পতনের সংবাদ পৌঁছানোর পর লিসবনবাসী শোকাহত হয়ে পড়ে ও ক্রিসমাস উত্সব স্তব্ধ হয়ে যায়।
আমেরিকা> গোয়া থেকে নিঃশর্তভাবে ভারতীয় সেনা সরানোর দাবি জানায়।
 ইসলামিক পাকিস্তান> নগ্ন সামরিক আক্রমণ। ভারতের হৃদয় সহিংস ও আক্রমণাত্নক।
এছাড়াও ব্রাজিল, নেদারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড ভারতের বিপক্ষে ছিল।
রাশিয়া, চীন, আরব আমিরশাহি, সিলন ও আফ্রিকান দেশসমূহ ভারতকে সমর্থন দেয়।

দেশকে অখণ্ড রাখাতে চাওয়া সু-কি-র বিরুদ্ধে বহিঃবিশ্বের হস্তক্ষেপের বিপক্ষে রাশিয়া

ওয়েবডেস্কঃ- রোহিঙ্গা সংকটকে মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে দাবি করে বহিঃবিশ্বের হস্তক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান জানিয়েছে রাশিয়া। কদিন আগেই রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা বলা হয়েছে। মায়ানমারের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে’ হস্তক্ষেপের উদ্যোগ শুধু ধর্মীয় উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে রাশিয়া আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাকে উদ্ধৃত করে রুশ সংবাদ সংস্থা তাস এ তথ্য জানিয়েছে। 

  এক্ষেত্রে সকলের মনে রাখা দরকার, মায়ানমার সেনা কিন্তু এসব নিজের দেশের অখণ্ডতা বজায়ে রাখতেই করছে। কারণ রোহিঙ্গা মুসলিমরা(রোহিঙ্গা হিন্দুরা নয়ে) সেই ১৯৪৮ থেকেই বিধর্মী বৌদ্ধদের সাথে একই দেশে থাকতে নারাজ। রাখাইন প্রদেশকে পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করতে চাওয়ার প্রচেষ্টা ব্যার্থ হওয়ার পর থেকেই ওরা মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাখাইন প্রদেশকে মায়ানমারের থেকে আলাদা করে ইসলামিক দেশ তৈরি করতে চায়ে। ফলে এই আন্দোলনকে বন্ধ করে দেশের অখণ্ডতা বজায়ে রাখতে এক রকম বাধ্য হয়েই সে দেশের সেনারা শুরু করেছে দমন-পীড়ন। যার শিকার হয়ে চার লাখের মতো মুসলিম রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

  রোহিঙ্গা মুসলিম সংকটকে সে দেশের অন্তর্বর্তী সমস্যা বলে আখ্যা দিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাকে উদ্ধৃত করে রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, এটা মনে রাখা দরকার যে একটি সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা কেবল সে দেশের অন্তর্বর্তী সমস্যা এবং বিরোধ বাড়িয়ে দিতে পারে। রুশ মুখপাত্র জাখারোভ বলছেন, "আমরা মায়ানমার সরকারের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি এবং রোহিঙ্গা মুসলিমদের  প্রতি ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাবাদ আন্দোলনে যুক্ত উগ্রপন্থিদের উসকানিতে ঝাপিয়ে না পড়ার আহ্বান জানাচ্ছি।" কারণ সারা পৃথিবীই এখন জেনে গেছে এই সমস্যার মুলে রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ধর্মের নামে মায়ানমারকে টুকরো করার প্রচেষ্টা।

জানেন ভারতে আর্টিলারি গান বানালে সরকারের খরচ কতটা কমে ??



ওয়েবডেস্কঃ-এই মুহূর্তে ভারত হল এমন এক দেশ যারা পৃথিবীতে সব থেকে বেশি হাতিয়ার আমদানি করে। কারণ এই দেশ সাত দশক স্বাধীন হলেও, হাতিয়ার তৈরির দিকে কোন দিনই দেশের সরকার খুব একটা জোড় দেয়নি। যার ফল সেনাদের ভুগতে হয়ে পদে পদে। সেই তিন দশক আগে কেনা বোফর্স আর্টিলারি গানের পর সেনারা আজও নতুন আর্টিলারি গান পায়েনি। তবে দেরিতে হলেও আমাদের সরকার বুঝেছে শুধু বিলিয়ন ডলার খরচ করে অস্ত্র কিনে কখনোই বিশ্বের দরবারে নিজেকে শক্তিশালী দেখানো যায় না, নিজেদের‌ও অস্ত্র বানানোর ক্ষমতাও দেখাতে হয়। আর যদি পৃথিবীর টপ ওয়েপন ইন্ডাস্ট্রি গুলি দেখি ,তবে সেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির থেকে বেসরকারি কোম্পানি গুলোর প্রতিপত্তিই বেশি !!

  দেরি হলেও অনেক দেরি হওয়ার আগে ভারতীয় বেসরকারি বিভিন্ন কোম্পানি গুলি এখন ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট তৈরির দিকে নজর দিয়েছে। কারণ ভারত সরকার ডিফেন্স নিয়ে নিজেদের অবস্থানটা বদলে ফেলেছে। তবে এই নিয়ে প্রচুর জল ঘোলাও হচ্ছে। বামেরা এই অবস্থানকে "ডিফেন্সকে বেচে দেওয়া" বলেও উল্লেখ করে থাকে। তবে দেশের কোম্পানি গুলোর মধ্যে টাটা, L&T, মাহিন্দ্রা, রিলায়েন্স, কল‍্যানী গ্রুপের মতো সংস্থা গুলি নিজেদের ডিফেন্স রিসার্চ প্রতিস্ঠান গড়ে তুলছে, যেখানে এখন দেশের ছেলেরাই কাজ করছে। যদিও এগুলি অনেক আগেই করা উচিত ছিল, কিন্তু এখন যেহেতু শুরু হয়েছে এবং তার গতিও যথেস্ট ভালো, তাই আশা করা যায় আগামী দশ বছরে ভারতীয় বেসরকারি ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিতে এক বিরাট বিপ্লব আসবে। 

ভারত আমেরিকা থেকে কদিন আগেই ১৪৫ টা আলট্রা লাইট M-777 হাউইটজার কিনেছে। প্রতিটি হাউইটজারের মূল‍্য প্রায় ₹৪০ কোটি টাকা। এত টাকা খরচ করে আমরা ওয়ার্ল্ড ক্লাস ওয়েপন কিনলাম, সেতো ভালো কথা, কিন্তু এতে আমাদের সীমাবদ্ধতা না কমে উল্টে বেড়ে গেল।

  কল‍্যানী গ্রুপ এক‌ই আল্ট্রালাইট হাউইটজার তৈরী করেছে এবং এর স্পেশিফিকেশন, আমেরিকান M-777 এর মতোই। কল‍্যানী গ্রুপের Bharat 155mm/39 ক‍্যালিবারের এই হাউইটজার ওয়েট সাড়ে চার টনের কম, ফলে এটিকে IAF এর Mi-17 দিয়েও বহন করা যাবে, এটিতে টাইটেনিয়াম, এলুমেনিয়াম এর মতো দামী ধাতু ব‍্যাবহার করে একে হালকা অথচ মজবুত করা হয়েছে, ফায়ারিং রেঞ্জ ও ৩৫ থেকে ৪০  করা হয়েছে‌। অর্থাৎ সবদিক থেকে পার্ফেক্ট এবং M-777 এর পর ভারতীয় আর্মি যে বিশাল সংখ্যক Bharat-155mm/39 ক‍্যালিবারের আল্ট্রালাইট হাউইটজার অর্ডার দিতে চলেছে, তা চোখ বন্ধ করেই বলা যায়। মজার বিষয় এই হাউইটজারের গুলির দাম M-777 এর চার ভাগের এক ভাগ হবে। এবার আপনারাই ভেবে দেখুন কতটা সাশ্রয় হয়ে যাচ্ছে, যখন দেশের ভিতর আমরা নিজেরাই ওয়েপন বানাচ্ছি !!!

  তাই আমাদের সরকারের উচিত দেশের বিভিন্ন বেসরকারী ওয়েপন ইনডাস্ট্রি গুলির সব দিক দিয়ে পাশে দাড়ানোর। শুধু মাত্র রাজনৈতিক কারনে একটা ইন্ডাস্ট্রি ধংস হতে পারে, তার অনেক উদাহরন এই ভারতে আছে। তাই ভারতের সমস্ত রাজ‍্য সরকার গুলিকেও অন্তত এই ব‍্যাপারে, কেন্দ্রের সাথে সহমত হ‌ওয়া উচিৎ এবং সমস্ত রাজনৈতিক দল গুলোকে এই বিষয় নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করা উচিৎ।

Friday, 13 October 2017

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী তাড়ানোর দাবিতে আজ কলকাতায় মিছিল বজরং দলের


ওয়েবডেস্কঃ- ভারতবর্ষের সুরক্ষার জন্য সমস্যা হতে পারে এদেশে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গা মুসলিমরা, তাই তাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো উচিৎ। এদেশের একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্তেই পৌছেচে। কিন্তু বাদ সাধছে ভারতের নোংরা রাজনীতি। বেশ কিছু কেন্দ্রীয় সরকারে থাকা রাজনইতিক দল বিজেপি-র বিরোধিতা করে নিজেদের মুসলিম প্রেমী প্রমাণ করতে গিয়ে, কেন্দ্রীয় সরকারেরই বিরোধিতাতে লেগে পড়েছে। 

  সারা পৃথিবী জানে ধর্মের নামে দেশ ভাগ করতে গিয়েই রোহিঙ্গা মুসলিমদের এমন দুরবস্থা হয়েছে। যারা নিজের দেশের হতে পারেনি, তারা ভারতের কি করে হবে? এর উত্তর অবশ্য কারুর কাছেই নেই। রোহিঙ্গা মুসলিমদের মতই আফ্রিকা এবং আরবের উপদ্বীপের মুসলিমদের শরণার্থী হিসাবে পশ্চিম ইউরোপে ঠাই দেওয়ার ফল কি হয়েছে তা আমাদের সকলেরই জানা। কিন্তু এসব জেনে বুঝেও স্রেফ ভোট ব্যাঙ্কের জন্যই রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার সঙ্গে আপোষ করে, রাজনীতি করে চলেছে একাধিক তথা কথিত সেকুলার রাজনিতিক এবং বুদ্ধিজীবী।

বজরং দলের পোষ্টার
  আর এই সবের বিরোধিতাতেই এবার পথে নামতে চলেছে বজরং দল। আজ উত্তর কলকাতার রাজপথে মিছিল করতে চলেছে হিন্দুত্ববাদী এবং অখণ্ড ভারতপন্থী সংগঠন "বজরং দল"। আজ দুপুর ৩ টে-র সময় উত্তর কলকাতার বরাহনগর বাজার থেকে শুরু হয়ে কাশিপুর রোড, বাগবাজার হয়ে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে শেষ হবে এই মিছিল। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ সভাপতি শ্রী চন্দ্রনাথ দাশ, বজরং দলের সংযোজক এবং আরও বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্ব। বজরং দল তথা বিশ্ব-হিন্দু পরিষদের এক সদস্যের থেকে জানা গেছে, এই মিছিলের মূল দাবি "দেশের আভ্যন্তরীন নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখতে, মায়ানমারকে ধর্মের ভিত্তিতে ভাংতে চাওয়া রোহিঙ্গা মুসলিমদের অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হোক এবং ভারতে ঢুকে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের, অবিলম্বে ভারত থেকে বিতাড়িত করা হোক।
loading...
loading...